শেরপুর-৩ এবং বগুড়া-৬ আসনের নির্বাচন ও উপ-নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে ভোটগ্রহণের দিন সংশ্লিষ্ট এলাকায় সাধারণ ছুটি ঘোষণার অনুরোধ জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। রোববার (২৯ মার্চ, ২০২৬) ইসি সচিবালয়ের উপসচিব মোহাম্মদ মনির হোসেন স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়কে এই অনুরোধ জানানো হয়।
চিঠিতে বলা হয়েছে, আগামী ৯ এপ্রিল (বৃহস্পতিবার) বগুড়া-৬ আসনের শূন্য পদে উপ-নির্বাচন এবং শেরপুর-৩ আসনের স্থগিত নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। ওই দিন সংশ্লিষ্ট নির্বাচনী এলাকার সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ভোটাধিকার প্রয়োগের সুবিধার্থে সাধারণ ছুটি প্রয়োজন।
রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. ফজলুল করিম জানিয়েছেন, এই উপ-নির্বাচনে তিনজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তারা হলেন—বিএনপির মো. রেজাউল করিম বাদশা (ধানের শীষ), জামায়াতে ইসলামীর মো. আবিদুর রহমান (দাঁড়িপাল্লা) এবং বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টির একজন প্রার্থী (ফুলকপি)। উল্লেখ্য, গত ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে এই আসন থেকে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান নির্বাচিত হয়েছিলেন। তিনি ঢাকা-১৭ আসনটি বহাল রেখে বগুড়া-৬ আসনটি ছেড়ে দিলে আসনটি শূন্য হয়।
শেরপুর-৩ আসনের রিটার্নিং কর্মকর্তা মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর হোসেন জানান, এখানেও তিনজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে মাঠে রয়েছেন। বিএনপির মো. মাহমুদুল হক রুবেল (ধানের শীষ), জামায়াতে ইসলামীর মো. মাসুদুর রহমান (দাঁড়িপাল্লা) এবং বাসদের (মার্কসবাদী) একজন প্রার্থী (কাঁচি) নির্বাচনে লড়ছেন। গত ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনের প্রাক্কালে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীর মৃত্যুর কারণে এই আসনের নির্বাচন স্থগিত করা হয়েছিল।