উপসহকারি কৃষি কর্মকর্তার অসহযোগিতার কারণে বাঘারপাড়ায় ভ্রাম্যমান আদালতের কার্যক্রমে বিঘœ ঘঠেছে। আদালতের নির্বাহী ম্যজিষ্ট্রেট ও বাঘারপাড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার দীর্ঘ দেড় ঘন্টা অপেক্ষার পর নির্দিষ্ট উপ সহকারি কর্মকর্তা না এসে হাজির হন অন্য এক উপ সহকারি কৃষি কর্মকর্তা। এরপর ভ্রাম্যমান আদালত রায়ের কাজ সম্পন্ন করেন।
বাঘারপাড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার ভুপালী সরকার জানিয়েছেন, তিনি গোপন সংবাদের মাধ্যমে জানতে পারেন বাঘারপাড়া চৌরাস্তা বাজারের স্বর্ণপটিতে আজিজুর রহমানের চায়ের দোকানে অবৈধভাবে ডিজেল সংরক্ষণ করে উচ্চ দামে বিক্রি করছে। বিকাল চারটা পাঁচ মিনিটে তিনি ঐ দোকানে হানা দেন। এ সময় চায়ের দোকান থেকে ১০ লিটার ডিজেল উদ্ধার হয়। বিষয়টি নির্বাহী অফিসার তাৎক্ষনিকভাবে বাঘারপাড়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সাইয়েদা নাসরিন জাহানকে অবহিত করেন। একই সাথে তিনি প্রকৃত কৃষক সনাক্তের জন্য পৌর ব্লকের দায়িত্বরত উপসহকারি কৃষি কর্মকর্তা সাদ্দাম হোসেনকে পাঠাতে বলেন। ভ্রাম্যমান আদালত দীর্ঘ দেড় ঘন্টা অপেক্ষার পরও দেখা মেলেনি উপসহকারি কৃষি কর্মকর্তা সাদ্দাম হোসেনের। নিরুপায় হয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ঘটনাস্থলে পাঠান অন্য ব্লকের উপসহকারি কৃষি কর্মকর্তা আব্দুল করিমকে। এ সময় তিনি একজন প্রকৃত কৃষক সনাক্ত করলে তার নিকট ভ্রাম্যমান আদালত জব্দকৃত ডিজেল বিক্রি করেন। আদালত এ সময় চাযের দোকানদার আজিজুর রহমান ও ঘটনার সাথে জড়িত গোলাম মোস্তফা নামের একজনকে পাঁচশত করে মোট এক হাজার টাকা জরিমানা করেন। ভ্রাম্যমান আদালতের সাথে এ সময় উপস্থিত ছিলেন বাঘারপাড়া উপজেলা সমাজ সেবা কর্মকর্তা আশরাফুল আলম ও প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা ইশতিয়াক আহাম্মেদ।
উপসহকারি কৃষি কর্মকর্তা সাদ্দাম হোসেনর মুঠোফোনে কয়েকবার চেষ্টা করেও সংযোগ পাওয়া যায়নি। তবে বাঘারপাড়া কৃষি কর্মকর্তা সাইয়েদা নাসরিন জাহান জানিয়েছেন, সাদ্দামের মোটর সাইকেলে পেট্রোল ছিলো না। একই সাথে তার মোবাইলের চার্জ শেষ হয়ে তা বন্ধ হয়ে যায়। বিষয়টি কতটা সত্য তা যাচাই করে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।