প্রাণের সংগঠন ছাত্রলীগের জন্য যা ভাল হয় আমি বা আমরা সেটাই করবঃ সোহাইব আহমেদ

0
663

সোহাইব আহমেদ। বাঘারপাড়া উপজেলা ছাত্রলীগের একজন ক্লিন ইমেজের নেতা, যাকে সবসময় কর্মীদের মাঝে পাওয়া যায়। উপজেলা ছাত্রলীগের রাজনীতিতে সক্রিয় আছেন অনেক আগে থেকেই। পড়াশোনা শেষ করে এখনো রাজপথে থেকে ছাত্রলীগ করে যাচ্ছেন। এর আগের উপজেলা কমিটির অন্যতম যুগ্ম-আহবায়ক ছিলেন। গতকিছুদিন ধরে বাঘারপাড়ায় ঘটে যাওয়া কিছু ঘটনা নিয়ে সরাসরি কথা হয়েছে তার সাথে। নিচে চিত্রারপাড়ের পাঠকদের জন্য তুলে ধরা হলঃ
চিত্রারপাড়ঃ আচ্ছা বাঘারপাড়াতে এমন কথা লোকের মুখে মুখে আছে যে আপনি উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি পদপ্রার্থী ছিলেন। কিন্তু সভাপতি হয়েছেন আপনারই বন্ধু বায়েজিদ হোসেন। এতেই মুলত আপনাদের দ্বন্দ্ব। যার রেশ ছিল গত কয়েকদিন ধরেই বাঘারপাড়ার রাজপথে।
সোহাইব আহমেদঃ ধন্যবাদ আপনাকে। কোন আজেবাজে প্রশ্ন না করে সরাসরি এই প্রশ্ন করে আমার বিষয়টা পরিস্কার করার সুযোগ দেবার জন্য।
আমি যখন বুঝতে শিখেছি তখন থেকে বাঘারপাড়াতে ছাত্রলীগ করে আসছি। আমি চেষ্টা করেছি সবসময় কর্মীদের ডাকে সাড়া দেবার জন্য। কতটুকু পেরেছি তার মুল্যায়ন আপনাদের কাছেই। একটা বিষয় পরিস্কার করি হ্যা, আমি উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি প্রার্থী ছিলাম। হতে পারিনি। আমি আমার জায়গা থেকে এখনো ছাত্রলীগের জন্য ও কর্মীদের জন্য করে যাচ্ছি। কিন্তু এই বিষয়টাকে পুজি করে যদি বলা হয় যে, “চেয়ার একটাই” তাহলে কিন্তু বিষয়টা একটা অন্যরকম ইঙ্গিত দেয়। আমিও জানি চেয়ার একটাই। কিন্তু এই কথা যখন সভাপতি আমাকে বলবে তখন আমার যোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন চলে আসে। আর উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি হবার পর আমি বায়েজিদকে অভিনন্দন জানিয়েছি। তার সাথে আমার কোন ব্যক্তি দ্বন্দ্ব ছিলনা। এখনো নেই।
চিত্রারপাড়ঃ তাহলে গত কয়েকদিনের ঘটে যাওয়া ঘটনাগুলোকে আপনি কিভাবে দেখছেন?
সোহাইব আহমেদঃ আপনি হয়ত জেনে থাকবেন যে এই মারামারির সুত্রপাত হল যশোরের একটি ঘটনার। যখন জুনিয়র কিছু ছেলেরা বায়েজিদের অফিস ভাংচুর করতে আসে তখন সঞ্জীব ভাই ও লিটন ভাইয়ের নির্দেশে আমি তাদের ঠেকাতে আসি। তখন আমি যতটুকে পেরেছি চেষ্টা করেছি। তার অফিস ভাংচুরের দায়ভার আমি বন্ধু হিসাবে এড়াতে পারিনা। তারপর আমি ছেলেদের ফিরিয়ে নিয়ে গেছি। কিন্তু বিএনপি জামাতের লোকজন নিয়ে তিলে তিলে গোড়ে তোলা শেখ রাসেল স্মৃতি সংসদ যা কিনা বিএনপি আমলেও কেউ ভাংচুর করতে পারিনি সেটাতে ভাংচুর হল। যেটা মেনি নিতে পারিনি। আমার ব্যক্তিগত অফিসেও ভাংচুর করার চেষ্টা করা হয়েছে।
চিত্রারপাড়ঃ উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি তার সাক্ষাতকারেও বলেছেন যে আমিও এই অফিস ভাংচুরের দায়ভার এড়াতে পারিনা, কিন্তু কোন ছবি তারা ভাংচুর করেনি, তিনি এটাও বলেছেন যে, প্রকৃত দোষীদের শাস্তির আওতায় আনতে আমার যা শযোগিতা লাগে আমি করব।
সোহাইব আহমেদঃ তাহলেত আর কথাই থাকলনা। আমরাও চায় দুই অফিসের ছবি যারা ভাংচুর করেছে তাদের বিচার হোক। এক্ষেত্রে আমরাও সহযোগিতা করব।
চিত্রারপাড়ঃ তাহলে ধরে নিতে পারি বাঘারপাড়ার রাজপথে আবার আপনার একই সাথে স্লোগান ধরবেন?
সোহাইব আহমেদঃ সবার আগে আমার কাছে আমার প্রিয় সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগ। ছাত্রলীগের জন্য যা ভাল হয় আমি বা আমরা সেটাই করব। শ্রদ্ধেয় আফজাল হোসেন সঞ্জীব বা এনায়েত হোসেন লিটন ভাই সেভাবেই আমাদেরকে নির্দেশনা দিয়েছেন।
চিত্রারপাড়ঃ ধন্যবাদ আপনাকে।
সোহাইব আহমেদঃ চিত্রারপাড়কেও ধন্যবাদ।