যেদিনই উপজেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলন হবে আমি সভাপতি পদপ্রার্থীঃ মঞ্জুর রশীদ স্বপন

0
232

জনাব মঞ্জুর রশীদ স্বপন। বাঘারপাড়া অঞ্চলের একজন জনপ্রিয় রাজনীতিবীদ। সূদর্শন, মার্জিত ব্যবহারের অধিকারী, অসাধারন ব্যক্তিত্ব ধারন করে যিনি রায়পুর ইউনিয়নের চার বার নির্বাচিত চেয়ারম্যান। চেয়ারম্যান এবং স্বপন যেন একে অপরের পরিপূরক। আপাদমস্তক রাজনীতিক এই মানুষটির জন্ম বাঘারপাড়া উপজেলার রায়পুর ইউনিয়নে। ১৯৬৬ সালের ১৫ই জুন এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহন করেন তিনি। বাবার নাম মৃত মোঃ শওকত আলী এবং মাতার নাম হাজী রিজিয়া খাতুন। বি,এ পাশ করে তিনি সরাসরি রাজনীতিতে আসেন। এক ছেলে ও এক মেয়ের জনক তিনি। আজ চিত্রারপাড়ের সাথে অনেক খোলামেলা আলোচনা করেন বাঘারপাড়ার তরুন সমাজের মনে আলাদা জায়গা করে নেয়া এই নেতা। নিচেই পাঠকদের জন্য তা তুলে ধরা হলঃ


চিত্রারপাড়ঃ কেমন আছেন আপনি?
মঞ্জুর রশীদ স্বপনঃ আল্লাহপাকের অশেষ রহমতে অনেক ভাল আছি। আপনি কেমন আছেন?
চিত্রারপাড়ঃ জ্বি আলহামদুলিল্লাহ। আপনি রায়পুর ইউনিয়নের চারবারের নির্বাচিত চেয়ারম্যান। গতবার দল আপনাকে দলীয় মনোনয়ন দেয়নি কিন্তু আগের বার উপজেলা নির্বাচনে দলীয় প্রার্থী হয়েও হেরেছিলেন, তারপর আবার ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান। পুরো বিষয়টিকে একটু পরিস্কার করবেন প্লিজ।
মঞ্জুর রশীদ স্বপনঃ আমার রাজনৈতিক ক্যারিয়ার শুরু হয় রায়পুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হিসাবে। আমাকে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ থেকে উপজেলা নির্বাচনে প্রার্থী করা হয়। আমি তখন রানিং পরিষদের চেয়ারম্যান ছিলাম। দল যখন আমাকে মনোনয়ন দেয় আমি চেষ্টা করেছি দলকে জয় উপহার দিতে। কিন্তু দলীয় কোন্দল এবং কিছু মানুষের নোংরামির ফলে সামান্য ভোটে হেরে যায়। কিন্তু আমি কখনো দল থেকে দলের কর্মীদের থেকে দূরে থাকিনি। এরপর যখন আবার উপজেলা নির্বাচনে আমি প্রার্থী হলাম, সবাই আমাকে চাইল। কিন্তু কোন এক অজানা কারনে আমাকে বঞ্চিত করা হল। যার ফল এখনো ভোগ করে চলেছে বাঘারপাড়াবাসী। তখন কেন্দ্রের সিদ্দান্ত মেনে নিজেকে প্রত্যাহার করে দলীয় প্রার্থীর জন্য কাজ করেছি। কন্তু আমার সাথে বার বার অন্যায় করা হয়েছে। আমি মুলত কোন কিছুকেই ছোট করে দেখিনা। আমি শেখ হাসিনার নৌকা প্রতীক নিয়ে আবারো চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছি।
চিত্রারপাড়ঃ আপনিকি তাহলে এবার উপজেলা নির্বাচন করছেন?
মঞ্জুর রশীদ স্বপনঃ গতবার যখন কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ আমাকে নির্বাচন থেকে সরে দাড়াবার জন্য বলেছিলেন তখনি আমাকে বলেছিলেন মৌখিকভাবে আমিই হব পরবর্তী প্রার্থী। আর সত্য কথা বলতে আমি রায়পুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হলেও আমি বাঘারপাড়ার সকল পর্যায়ের নেতা-কর্মীদের সাথে যোগাযোগ রেখে ও দলীয় কার্যক্রমে অংশগ্রহন করে থাকি। আমি উপজেলা পরিষদ নির্বাচন করব নৌকা প্রতীক পেয়ে আশা করি।
চিত্রারপাড়ঃ শোনা যাচ্ছে যেকোন সময় অন্যান্য উপজেলার মত বাঘারপাড়ার কমিটিও হতে পারে। সেক্ষেত্রে আপনিকি দুইটি শীর্ষ পদের যেকোন একটিতে লড়বেন?
মঞ্জুর রশীদ স্বপনঃ মনে মনে এই প্রশ্নটি আশা করছিলাম। কোন জড়তা না রেখেই বলি যেদিনই বাঘারপাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলন হবে আমি সভাপতি পদপ্রার্থী। আশা করি তৃণমুল আওয়ামী লীগ আমার সাথেই আছে, থাকবে।


চিত্রারপাড়ঃ সামনে নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন পত্রিকায় যে জরিপ হচ্ছে সেখানে আপনার নাম ও দেখতে পাচ্ছি। আপনি বিষয়টিকে কিভাবে দেখছেন?
মঞ্জুর রশীদ স্বপনঃ একটু হেসে, এইটা বলার সময় এখনো আসেনি। তবে আমি দলীয় নমিনেশন চাইব কি চাইবনা সেটা সময় বলে দেবে।
চিত্রারপাড়ঃ অনেক অনেক ধন্যবাদ আপনাকে। আপনার মুল্যবান সময় দেবার জন্য।
মঞ্জুর রশীদ স্বপনঃ আপনাদেরকেও ধন্যবাদ বাঘারপাড়ার মানুষের জন্য কাজ করার যে উদ্যোগ আপনারা নিয়েছেন সেজন্য। ধন্যবাদ জানায় চিত্রারপাড়ের পাঠকদেরকেও।