প্রতিনিয়ত সেবা প্রদানে অনিয়ম করছে বাঘারপাড়া উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তরের কর্মকর্তা কর্মচারীরা।

0
285

ঘন্টার পর ঘন্টা দাড়িয়ে থেকে সেবা পাচ্ছেনা ভুক্তভোগীরা।

প্রতিটা চেম্বার কক্ষ অফিস সময়েও ফাকা  জনমানব হীন ভাবে পড়ে আছে।কোথায় কাউকে না পেয়ে সেবা নিতে আসা সাধারণ মানুষেরা অতিষ্ঠ হয়ে পড়ছে।সরকারী ভাবে ঔষধ সরবারহ করা হলে ও ঠিকমত কোন ঔষধ মিলছেনা এখান থেকে।

পত্রিকার প্রতিনিধি হিসাবে উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তরেরর কর্মকর্তার সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে যায় দুপুর ১২টার সময়।

সাক্ষাৎ এর জন্য অফিসের ভীতরে যেয়ে বিস্মিত হয়।নির্জন কর্মকর্তা হীন চেয়ার টেবিল পড়ে আছে ।  অফিসে  কাউকে দেখতে না পেয়ে অফিসের বাইরে এক মহিলাকে দেখি হাটাহাটি করছে। তার কাছে এখানে আসার কারণ জানতে চায়লে তিনি বলেন,আমার একটা ছাগল অসুস্থ তার জন্য ঔষধ নিতে এসেছি।কিন্তু কোথাও কাউকে পাচ্ছিনা ডাক্তার সাহেব নাই তাই ঘোরা ঘোরি করছে।

অফিসের বিভিন্ন রুমে যেয়ে দেখি টেবিলের উপল কাগজ পড়ে আছে কিন্তু কোথায় কোন কর্মকর্তা কর্মচারী নাই। কিছুক্ষণ পর ভিন্ন রুম থেকে একজন কর্মচারী বের হলে তার কাছে  প্রতিকার প্রতিনিধি জানতে চায় কর্মরত  ডাক্তার কোথায় আছেন? তিনি বলেন ডাক্তার সাহেব রান্না করছেন।

উনার কথা শুনে অবাগ হয় প্রত্রিকার প্রতিনিধি যে অফিস সময়ে অফিসে না থেকে তিনি রান্না করছেন।অন্যদিকে বাইরে সেবা নিতে আসা মানুষ ঘন্টার পর ঘন্টা অপেক্ষা করছে তাদের মুল্যবান সময় নষ্ট করে।

তানজিরা বেগম নামে এক মহিলা জানান তিনি  তার গৃহপালিত  হাঁসের মুরগীর জন্য ঔষধ নিতে এসে ১ঘন্টা যাবত বসে আছে কিন্তু ডাক্তার কোন সন্ধান পাচ্ছেন না তিনি।

পত্রিকার প্রতিনিধি এসেছে জানতে পেরে কর্মরত ডাক্তার এফ.এম মান্নান কবীর দ্রুত তার রুমে আসনে।

তার কাছে অফিস সময়ে কোথাও কোন কর্মকর্তা কর্মচারী না থাকার কারণ জানতে চায়লে তিনি বলেন,অফিসে তিনি একাই আছেন সকল কাজ তিনি একাই করেন।

তিনি বলেন অফিসে ভি.এস নাই কিলার নাই ঔষধ প্রদান করার জন্য কোন লোক নেই। যার জন্য সেবা নিতে আসা পশুপাখিদের রোগ নির্ণয়, ঔষধ প্রদান সহ অফিসিয়াল সকল কাজ তিনি একাই করেন সে জন্য অফিসে কাউকে দেখা যায়নি।তিনি বলেন অফিসে জনবল নিয়োগ প্রয়োজন।

সরকারি ভাবে যে ঔষধ প্রদান করছে তা দ্বারা উপজেলা পর্যায়ে কি সুষ্ঠ সেবা প্রদান করা সম্ভব হচ্ছে ।এ বিষয়ে জানতে চায়লে তিনি বলেন বছরের শুরুতে একবারে সারা বছরের ঔষধ সরবরাহ করা হয়ে থাকে। আর যে ঔষধ সরবারহ করা হয়ে থাকে সেটা পর্যাপ্ত নয় যার জন্য সম্পূর্ণ রুপে সারা বছর সেবা দান সম্ভব হয়না।

অফিস থেকে বের হয়ে বাইরে কিছু লোকের কাছে  পশুপাখিদের সেবা প্রদান সর্ম্পকে জানতে চাইলে,নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক  লোকজন বলেন  প্রাণিদের সেবা প্রদানে অনিয়ম করে এখানকার ডাক্তাররা।কোন প্রাণি নিয়ে গেলে অবহেলা করে। সরকারি ঔষধ পায়কি না সেটা জানতে চায়লে তিনি বলেন তেমন কোন ঔষধ দেয়না এখান থেকে।কোন পশুপাখি আলনে, ডাক্তার দেখে ঔষধ  লিখে দেয় সেটা আমরা বাইরে থেকে কিনে নেই।