শিক্ষানীতি অনুযায়ী প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে একজন লাইব্রেরিয়ান নিয়োগ দেয়া হবে

0
123

সংস্কৃতিপ্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ বলেছেন, ২০১০-এর জাতীয় শিক্ষানীতি অনুযায়ী প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে একজন লাইব্রেরিয়ান নিয়োগ দেয়ার কথা বলা হয়েছে। সে অনুযায়ী বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নামমাত্র লাইব্রেরিয়ানের পদে রয়েছে, যিনি অপেশাদার ও লাইব্রেরি ব্যবস্থাপনায় দক্ষ নন। এর পরিবর্তন ঘটিয়ে দেশের প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে লাইব্রেরি ব্যবস্থাপনায় ডিগ্রীধারী, দক্ষ ও পেশাদার তথা উপযুক্ত লাইব্রেরিয়ান নিয়োগ দেয়া হবে এবং একটি পাঠ উপযোগী কার্যকর লাইব্রেরি প্রতিষ্ঠা করা হবে, যাতে নতুন প্রজন্ম লাইব্রেরি ও বই মনস্ক হয়ে গড়ে ওঠে। এ ব্যাপারে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রয়োজনীয় সহযোগিতা গ্রহণ করা হবে।

প্রতিমন্ত্রী আজ রোববার ‘গণগ্রন্থাগারের উন্নয়নে জাতীয় নীতি বিষয়ক কর্মশালা’ শীর্ষক এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন। গণগ্রন্থাগার অধিদপ্তর ও ব্রিটিশ কাউন্সিলের যৌথ আয়োজনে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রের উই-ি টাউন হলে এই আয়োজন অনুষ্ঠিত হয়। গণগ্রন্থাগার অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আশীষ কুমার সরকারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন ব্রিটিশ কাউন্সিল বাংলাদেশের লাইব্রেরিজ আনলিমিটেডের প্রোগ্রাম পরিচালক মিজ কার্স্টি ক্রফোর্ড। সম্মানিত অতিথি হিসেবে বক্তৃতা করেন ব্রিটিশ কাউন্সিল বাংলাদেশের উপপরিচালক অ্যান্ড্রু নিউটন। আরো বক্তব্য রাখেন গণগ্রন্থাগার অধিদপ্তরের পরিচালক (যুগ্মসচিব) এ জে এম আব্দুল্লাহেল বাকী।

প্রধান অতিথি’র বক্তৃতায় তিনি আরও বলেন, ব্রিটিশ কাউন্সিল বাংলাদেশের লাইব্রেরিজ আনলিমিটেড প্রকল্পের আওতায় একটি যুগোপযোগী ও আধুনিক গণগ্রন্থাগার নীতিমালা তৈরিই এ কর্মশালার মূল উদ্দেশ্য। আর এটি সফলভাবে করতে পারলে তা সংস্কৃতিমন্ত্রণালয়ের জন্য একটি বড় অর্জন হবে। আর এ ধরনের নীতিমালা তৈরির জন্য প্রয়োজন গণগ্রন্থাগার সম্পর্কিত সকল অংশীজনদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ ও তাদের সুচিন্তিত মতামত গ্রহণ।

কর্মশালায় ঢাকা ও বিভিন্ন জেলা হতে আগত সরকারি ও বেসরকারি গণগ্রন্থাগারের প্রতিনিধিবৃন্দ, লাইব্রেরি প্রফেশনাল, বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও সরকারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিবৃন্দ, শিক্ষাবিদ, গবেষক, প্রকাশনা সংস্থার প্রতিনিধি, গ্রন্থাগার সম্পর্কিত পেশাদার সংগঠনের প্রতিনিধিবৃন্দ, গ্রন্থাগার খাতের সেবাগ্রহীতা, বিভিন্ন বেসরকারি সংস্থার প্রতিনিধিবৃন্দ এবং বিভিন্ন গণমাধ্যমের প্রতিনিধিবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন।