সুখবর পেলেন প্রাথমিক শিক্ষকরা

0
21

 

২৯২ প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এক হাজার ৩১ জন শিক্ষককে জাতীয়করণের আওতায় আনা হয়েছে। সোমবার প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে এ আদেশ জারি করা হয়।

মন্ত্রণালয়ের উপসচিব নাজমা শেখ জানান, ২০১৪ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ২৯১টি এবং ২০১৮ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি থেকে নওগাঁ জেলার মান্দা উপজেলার পুকুরিয়া তেপাড়া কেশবপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টির শিক্ষকের চাকরি জাতীয়করণ বলে গণ্য হবে।

মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা জানান, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অনুশাসন অনুযায়ী, পুকুরিয়া তেপাড়া কেশবপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি জাতীয়করণ করা হয়েছে।

এই বিদ্যালয়ের শিক্ষক মো. রবিউল ইসলাম, বীথি রাণী, মোসা. সুলেখা খাতুন এবং সাবিনা ইয়াসমিন গত বছরের ৪ ফেব্রুয়ারি হতে নিয়োগপ্রাপ্ত হবেন।

আদেশে বলা হয়েছে, প্রাথমিক বিদ্যালয় অধিগ্রহণ আইন, ১৯৭৪ এর ৩ (১) ধারার অধীনে প্রণীত অধিগ্রহণকৃত বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক (চাকুরীর শর্তাবলী নির্ধারণ) বিধিমালা-২০১৩ এর বিধি ৪ এর উপবিধি (১) প্রদত্ত শর্তসাপেক্ষে ২০১৪ সালের ১ জানুয়ারি হতে এসব শিক্ষককে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক পদে অস্থায়ী ভিত্তিতে নিয়োগ প্রদান করা হলো।

শর্তাবলীর মধ্যে বলা হয়েছে, তাকে বাংলাদেশের নাগরিক অথবা স্থায়ী বাসিন্দা হতে হবে।

তিনি বাংলাদেশের নাগরিক নন এমন কোনো ব্যক্তিকে বিবাহ করেন নাই অথবা বিবাহ করার জন্য প্রতিশ্রুতি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ নয় মর্মে উপযুক্ত কর্তৃপক্ষের প্রত্যয়ন থাকতে হবে। তার অনুকূলে সরকার কর্তৃক এতদুদ্দেশ্যে নিযুক্ত চিকিৎসক পরিষদ বা চিকিৎসা কর্মকর্তা কর্তৃক স্বাস্থ্যগতভাবে উপযুক্ত বলে প্রত্যয়ন থাকতে হবে। তার পূর্ব কার্যকলাপ সন্তোষজনক মর্মে যথাযোগ্য এজেন্সির মাধ্যমে প্রতিপাদিত হতে হবে।

এছাড়া তিনি স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) আইন, ২০০৯ (২০০৯ সালের ৬১ নং আইন) বা স্থানীয় সরকার (পৌরসভা) আইন, ২০০৯ (২০০৯ সালের ৫৮ নং আইন) বা উপজেলা পরিষদ আইন, ১৯৯৮ (১৯৯৮ সালের ২৪ নং আইন) বা স্থানীয় সরকার (সিটি কর্পোরেশন) আইন, ২০০৯ (২০০৯ সালের ৬০ নং আইন) এর অধীন কোনো ইউনিয়ন বা পৌরসভা বা উপজেলা বা সিটি করপোরেশনের চেয়ারম্যান বা ভাইস-চেয়ারম্যান বা মেয়র বা কাউন্সিলর বা সদস্য পদে নির্বাচিত হয়ে থাকলে ওই পদ থেকে পদত্যাগ করতে হবে।

তার বয়স সরকারি কর্মচারী অবসর গ্রহণের বয়সের বেশি নয় এবং তার প্রয়োজনীয় যোগ্যতা না থাকলে তিন বছরের মধ্যে প্রয়োজনীয় যোগ্যতা অর্জন করতে হবে বলে শর্তে উল্লেখ রয়েছে।

জানা গেছে, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ অনুযায়ী গত চার বছরে সারাদেশে ২৬ হাজারের বেশি প্রাথমিক বিদ্যালয় জাতীয়করণ করা হয়। তিনটি ধাপে এসব প্রতিষ্ঠান ও শিক্ষকদের জাতীয়করণের আওতায় আনা হয়। তৃতীয় ধাপে সারাদেশে ৫৪৯টি বিদ্যালয় জাতীয়করণ করা হলেও মামলা জটিলতা, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিতে বিলম্ব, নানা অভিযোগ-আপত্তিসহ বিভিন্ন সমস্যা সৃষ্টি হওয়ায় এ ধাপে ২৯১টি বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের সরকারিকরণ করা সম্ভব হয়নি।

একটি উত্তর ত্যাগ

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.