বাঘারপাড়ায় ইউএনও এর পদক্ষেপে ৯ম শ্রেনীর এক কিশোরীর বিয়ে বন্ধ , তিন জনের ১৫ দিনের কারাদন্ড

0
267

স্টাফ রিপোর্টার, বাঘারপাড়া (যশোর) ঃ উপজেলা নির্বাহী অফিসারের জরুরী পদক্ষেপে ৯ম শ্রেনীর এক শিক্ষার্থীর বাল্য বিয়ে বন্ধ হয়েছে। একই সাথে বাল্য বিয়ের অপরাধে মেয়ের পিতা, ভাই ও মামাকে ১৫ দিনের কারাদন্ড দেওয়া হয়েছে।
উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয় ও স্থানীয় সূত্রে জানাগেছে, গতকাল দুপুরে উপজেলার ভিটাবল্যা গ্রামের মফিজুর রহমানের কিশোরি মেয়ে সুমাইয়া আক্তারের বিয়ের অনুষ্ঠান চলছিলো। সুমাইয়া ভিটাবল্যা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ৯ম শ্রেণীর ছাত্রী। বর যাত্রি তখনও কনের বাড়িতে পৌছায়নি। আত্মীয় সজনের খাওয়া-দাওয়ার পর্ব চলছিলো।

এ সংবাদ পেয়ে বাঘারপাড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার তানিয়া আফরোজ একটু দেরি করেই বিয়ের অনুষ্ঠানে পৌছান। উদ্দেশ্য, বিয়ের অনুষ্ঠানে বর যাত্রিদেরও আইনের আওতায় আনবেন। বেলা ৩টায় তিনি ঘটনা স্থলে পৌছান । তার উপস্থিতি টের পেয়ে কনের পিতাসহ অন্যরা পালিয়ে যান। বিয়ের অনুষ্ঠান থেকে কনের ভাই ফয়সাল আহাম্মেদ ও মামা লালন মোল্যাকে আটক করে। তখনও বর যাত্রি বিয়ের অনুষ্ঠানে না আসায় এ পক্ষের কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।

স্থানীয় সূত্র জানিয়েছে, বরযাত্রি প্রায় দুই কিলোমিটার দুরে থাকতে সংবাদ পেয়ে তারা ফিরে যান। ভিটাবল্যা ফাঁড়ি পুলিশ এ সময় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পাশের এক বাড়ি থেকে কনের পিতা মফিজুর রহমানকে আটক করে। ভ্রাম্যমান আদালতের নিবার্হী ম্যাজিষ্ট্রেট ও বাঘারপাড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার মফিজুর রহমান, তার ছেলে ফয়সাল আহাম্মেদ ও লালন মোল্যাকে ১৫ দিনের কারাদন্ড দেন। লালন মোল্যার বাড়ি যশোর সদরের ঝুমঝুমপুর গ্রামে।