বিয়ের ব্যবসা করাই বাঘারপাড়ার প্রতারক জামালের কাজ

0
706

প্রতিটি মানুষের বিভিন্ন নেষা আর পেশা থাকে এমনই একজন পেশার মানুষ বাঘারপাড়া উপজেলার বরভাগ গ্রামের জামাল হোসেন।

দেশের বিভিন্ন স্থানে ভিন্ন ভিন্ন পেশা আর ভুয়া নাম-ঠিকানা ব্যবহার করে ৩৫ বছর বয়সে ১২টি বিয়ে করেছেন জামাল হোসেন নামের এ ব্যক্তি।

মূলত অসহায় মেয়েদের বিয়ে করে টাকা হাতিয়ে নেয়াই ছিলো তার ব্যবসা। জামাল হোসেন বাঘারপাড়া উপজেলার বরভাগ গ্রামের আলী বক্সের ছেলে।সর্বশেষ বিবাহ হয় বাঘারপড়া উপজেলার দোহাকুলা গ্রামের গোলাপী খাতুনের সাথে। বিয়ের পর গোলাপী খাতুনের বাড়ীতেই বসবাস করে প্রতারক জামাল।

বিভিন্ন সময় ‍যৌতুক চেয়ে দাবি চেয়ে অনেক মারধর করতো গোলাপী খাতুনকে গোলাপী এলাকার বিভিন্ন মানুষের বাড়ি কাজ করে তাকে টাকা এনে দিতো টাকা নিয়ে মাদক সেবনে লিপ্ত হতো। গত ১০/১৫ দিন আগে হঠাৎ করেই গোলাপীর কাছে সে ১ লাখ টাকা যৌতুক চেয়ে দাবি করে।

এতে গোলাপী এবং তার পরিবার অপারগতা প্রকাশ করলে প্রতারক জামাল গত ৩০-১০-২০১৯ তারিখে কাউকে কিছু না বলে কৌশলে নগদ ৩০ হাজার টাকা সংসারের সকল আসবার পত্র নিয়ে ফটকে পড়ে। এ ঘটনায় গোলাপী খাতুন গত ৪ দিন ধরে এলাকার বিভিন্ন মানুষের কাছে ‍গিয়ে বিচার চাই সকলেই শুনিয়েছে আশ্বাসের বুলি কিন্তু কেউ পাশে দাড়াইনি।

৫ বছরের ছোট বাচ্চা নিয়ে কি করবে গোলাপী পাগল প্রায়।গোলাপী খাতুন বলেন শুধু টাকার লোভে এতোগুলো বিয়ে করেছে। সব জায়গায় টাকা পাওয়ার পরই ফেলে এসেছে বিবাহিত স্ত্রীদের। সে বিয়ে করতে পেশা হিসেবে নিজেকে বিভিন্ন পেশার দাবী করে অবিবাহিত ও বৌ মারা গেছে এসব কথা বলে ভিন্ন নাম-ঠিকানা ব্যবহার করতো।

সর্বশেষ কোন উপায় না পেয়ে গোলাপী খাতুন রবিবার ছুটে যায় বাঘারপাড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার তানিয়া আফরোজের কাছে তখন গোলাপী বেগম বিলাপ করে বলতে থাকে আমার ঘরে কিছু নেই খাওয়ার কিছু নেই এ প্রতারক আমাকে অবিবাহিত বলে বিয়ে করে বিয়ের পরে জানতে পারি তার আগে আরো ১১/১২ টি বিয়ে করা আছে।

আমি এখন কই যাবো কই থাকবো আমি কিছু চাইনে আমার কস্ট করে করা সংসারের মালামাল গুলো ফেরত চাই আমার থাকার খাট,খাওয়ার সবকিছু,পরার কাপড় সবকিছু নিয়ে গেছে আমি এখন কি করবো । উপজেলা নির্বাহী অফিসার সবকথা শুনে থানায় ওসিকে মামলা নিতে বল্লে ওসি সাথে সাথে মামলা নিয়ে প্রতারকের বাড়িতে আভিযান চালাকে তাকে প্রতারক জামালকে পাওয়া যায়নি।বাঘারপাড়া থানার ওসি জসিম উদ্দিন বলেন প্রতারককে দেখা মাত্রই পুলিশকে বলার জন্য অথবা আটক করে পুলিশকে খবর দেওয়ার জন্য।

একটি উত্তর ত্যাগ

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.