আজ বাঘারপাড়াবাসীর জন্য একটি আশীর্বাদময় দিন।

0
565

  1. আজ বলব এমন একজন মানুষ সম্পর্কে যিনি বাঘারপাড়ার মানুষের লালিত স্বপ্ন বাস্তবায়নের মাঝি। যেই মানুষটিকে বঙ্গবন্ধু কন্যা, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, জননেত্রী শেখ হাসিনা তিন তিনবার নৌকার মাঝি হিসাবে হ্যাট্রিক সাংসদ হিসাবে যশোর-৪ নির্বাচনী এলাকার মানুষের জন্য পাঠিয়েছেন। এমন একটা সময় ছিল যখন আমরা খুব ছোট, রাজনীতি নিয়ে সবেমাত্র কৌতুহল জেগেছে তখন শুনতাম, অভয়নগরে মিছিল হয় ‘শুনলে মুখে হাসি পায়, বাঘারপাড়ায় নাকি এমপি চায়!’। যাইহোক, বাঘারপাড়ার মানুষের জন্য এই অর্থে হলেও তিনি আশীর্বাদ। একজন মানুষ সবার কাছে প্রিয় হতে পারেনা। ব্যক্তি রনজিত রায়ও সবার কাছে প্রিয় না। কিন্তু বাঘারপাড়ার মানুষের ভাগ্য বদলের যে পাল তিনি তুলেছেন তাতে হাওয়া লাগতে শুরু করেছে। এই মানুষটির সাথে পারিবারিকভাবেই খুব ছোটবেলা থেকেই মেশার সৌভাগ্য আমার হয়েছে। আমি উনার নিজ মুখেই শুনেছি। উনি যখন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ছিলেন তখন উনার উপর বেশ কয়েকবার আক্রমণ হয় যার ক্ষত তার শরীরে এখনো বিদ্যমান।এজন্য উনার মোটর সাইকেলের পিছনে ভয়ে কেউ উঠতেন না এই ভেবে যে কখন আক্রমণ হয়! আমার বাবা মরহুম আনসার আলী মাষ্টার উনার বাইকের পিছনে বসতেন, আর সাদা একটা মাফলার ছিল যেটা দিয়ে শক্ত করে দুজনের মাজা বেধে রাখতেন! আমি যখন খুব ছোট দেখতাম হঠাৎ রাত ১০ টার পর আব্বা লাইট নয়ে আমাদের মহল্লার যারা খুব কাছের বা আওয়ামী ঘরনার তাদের ডাকতে বের হয়ে গেছেন। বুঝতে বাকি থাকতনা যে রনজিত কাকু আসবেন। বিরোধী দল তারপর আবার মাথায় মামলা! তবুও তৃনমুলকে চাঙা রাখতে হবে। ওই সময় রাতেই রান্নাবান্না আবার রাতেই মিটিং। আমরা এমন হয়েছে যে পুরা বাড়ি ঘিরে পাহারা বসিয়েছি আর উনি মিটিং করেছেন। মিটিং শেষ যাতে বুঝতে না পারে যে আমাদের বাড়ি আছেন এজন্য আব্বা অন্য কোন চাচা বা শ্রদ্ধেয় নির্মল পোদ্দারের বাসায় রেখে আসতেন। গল্পটা বলার উদ্দেশ্য হল কতোটুকু দল পাগল একটা মানুষ হলে একটা মানুষ বিরোধী দলের সময় মামলা হামলার তোয়াক্কা না করে তৃনমুলের কর্মীদের সাথে খোলা উঠানে বসে দলের জন্য মিটিং করতে পারেন তা এখনকার রাজনৈতিক পরিবেশ দিয়ে পরিমাপ করা যাবেনা! ইউনিয়ন পরিষদ থেকে উপজেলা পরিষদ, উপজেলা পরিষদ থেকে জনগণের প্রতিনিধি হয়ে মহান জাতীয় সংসদে। বাঘারপাড়ার প্রতিটি ধূলিকণার সাথে মিশে আছে রনজিত রায়ের নাম। আজ বাঘারপাড়ার মানুষের জন্য একটি আশীর্বাদময় দিন কারন আজ এই মহান নেতার জন্মদিন।
  2. বাঘারপাড়ার একজন নাগরিক হিসেবে, একজন মুজিব আদর্শের সৈনিক হিসেবে এই দাবি রাখি যে এই নেতাকে মন্ত্রীত্ব দেয়া হোক। অবহেলিত জনগোষ্ঠীর উন্নয়নকে আরও বেগবান করতে এই দাবিকে যৌক্তিকভাবে প্রকাশ করে জননেত্রী শেখ হাসিনার কাছে পৌছে দিব এই হোক আমাদের অঙ্গীকার।
    জন্মদিনের অফুরন্ত শুভেচ্ছা নিবেন প্রিয় নেতা।
    লেখকঃ আ,ফ,ম রিয়াজ উদ্দিন মানিক
    মুজিব আদর্শের কর্মী।