বাগেরহাটে পেসার রুবেলের ত্রাণ কার্যক্রম শুরু

0
110

 

করোনাভাইরাসের কারণে দেশের মানুষ যখন অনিশ্চয়তা, দুশ্চিন্তা আর উদ্বেগের মধ্য দিয়ে সময় পার করছেন, তখন নিজ নিজ জায়গা থেকে সামর্থ্য অনুযায়ী এগিয়ে আসছেন ক্রিকেটাররা। ‘মানুষের জন্য মানুষ’ এ নীতি নিয়েই সবাই কাজ করছে। যে যেভাবে পারছে নিম্ন আয়ের মানুষগুলোর পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছে। সামাজিক সংগঠন আর সরকারি ত্রাণের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে ক্রীড়াঙ্গনের তারকারাও সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন। করোনার আক্রমনের শুরুতেই জাতীয় ক্রিকেট দলের সমস্যরা বেতনের অর্ধেক বিসিবিতে জমা দিয়েছে। পুরো দুনিয়া এখন করোনার যুদ্ধে নেমেছে। ‘মানুষের জন্য মানুষ’ এ নীতি নিয়েই সবাই কাজ করছে। যে যেভাবে পারছে নিম্ন আয়ের মানুষগুলোর পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছে। সামাজিক সংগঠন আর সরকারি ত্রাণের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে ক্রীড়াঙ্গনের তারকারাও সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন। করোনার আক্রমনের শুরুতেই জাতীয় ক্রিকেট দলের সমস্যরা বেতনের অর্ধেক বিসিবিতে জমা দিয়েছে।
এবার নিজ এলাকায় ত্রাণের চাল-ডাল নিয়ে পেসার রুবেল হোসেন কার্যক্রম শুরু করেছেন। যদিও রুবেল হোসেনের ত্রাণের কার্যক্রম এটাই প্রথম নয়। করোনোর শুরুতেই এই তারকা পেসার ঢাকার মিরপুর এলাকায় নিম্নআয়ের মানুষের মধ্যে ২২০ পরিবারকে  সাহায্য করেছেন। এবার তিনি নিজ এলাকা বাগেরহাট শহরের দরাটার ৮ নং ওয়ার্ডে বাবা ও ভাইয়ের সাহায্যে ত্রাণ কার্যক্রম শুরু করেছেন বলে গতকাল মুঠোফোনে ভোরের পাতাকে নিশ্চিত করেন। তিনি ভোরের পাতাকে বলেন, ‘আমি আগেই মিরপুরে ২২০ পরিবারের মধ্যে ত্রাণ দিয়েছি। এবার আজ থেকে (গতকাল বুধবার) বাগেরহাটে দরাটার ৮ নং ওয়ার্ডে বাবা ও ভাইকে দিয়ে ত্রাণের কার্যক্রম শুরু করেছি। তবে এটা এক দিনেই সম্ভব নয়। প্রতিদিন ১০০ পরিবারের জন্য প্যাকেট তৈরি করে তা বিলি করা হচ্ছে।
প্রতিদিন ১০০ করে মোট ৪৫০ পরিবারের মাঝে ত্রাণ দেওয়া হবে। এবার নিজ এলাকায় ত্রাণের চাল-ডাল নিয়ে পেসার রুবেল হোসেন কার্যক্রম শুরু করেছেন। যদিও রুবেল হোসেনের ত্রাণের কার্যক্রম এটাই প্রথম নয়। করোনোর শুরুতেই এই তারকা পেসার ঢাকার মিরপুর এলাকায় নিম্নআয়ের মানুষের মধ্যে ২২০ পরিবারকে  সাহায্য করেছেন। এবার তিনি নিজ এলাকা বাগেরহাট শহরের দরাটার ৮ নং ওয়ার্ডে বাবা ও ভাইয়ের সাহায্যে ত্রাণ কার্যক্রম শুরু করেছেন বলে গতকাল মুঠোফোনে ভোরের পাতাকে নিশ্চিত করেন। তিনি ভোরের পাতাকে বলেন, ‘আমি আগেই মিরপুরে ২২০ পরিবারের মধ্যে ত্রাণ দিয়েছি। এবার আজ থেকে (গতকাল বুধবার) বাগেরহাটে দরাটার ৮ নং ওয়ার্ডে বাবা ও ভাইকে দিয়ে ত্রাণের কার্যক্রম শুরু করেছি। তবে এটা এক দিনেই সম্ভব নয়। প্রতিদিন ১০০ পরিবারের জন্য প্যাকেট তৈরি করে তা বিলি করা হচ্ছে। প্রতিদিন ১০০ করে মোট ৪৫০ পরিবারের মাঝে ত্রাণ দেওয়া হবে।
এরপর ব্যক্তিগত ভাবে মাশরাফি নিজ সংসদ আসন নড়াইল-২ এ ত্রাণ হিসাবে চাল, ডাল, তেল কিনে বিলি করেছেন। পাশাপাশি রোগীদের দরজায় ডাক্তারকে যেতে বাধ্য করেছেন মাশরাফি। ওপেনার তামিম ইকবালও পিছিয়ে নেই। আর মুশফিক নিজ এলাকা বগুড়ায় করোনা টেস্টেও যন্ত্রপাতি সাহায্য হিসাবে পাঠিয়েছেন। এছাড়া যুব বিশ^কাপ জয়ী ক্রিকেট দলের সদস্যরাও সাহায্যের জন্য বিসিবিতে বেতনের টাকা জমা দিয়েছেন। ক্রিকেটারদের মধ্যে সকলেই কমবেশি ত্রাণ নিয়ে সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন। মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত থেকে শুরু করে সৌম্য সরকার কেউ বাদ নেই।এরপর ব্যক্তিগত ভাবে মাশরাফি নিজ সংসদ আসন নড়াইল-২ এ ত্রাণ হিসাবে চাল, ডাল, তেল কিনে বিলি করেছেন। পাশাপাশি রোগীদের দরজায় ডাক্তারকে যেতে বাধ্য করেছেন মাশরাফি। ওপেনার তামিম ইকবালও পিছিয়ে নেই। আর মুশফিক নিজ এলাকা বগুড়ায় করোনা টেস্টেও যন্ত্রপাতি সাহায্য হিসাবে পাঠিয়েছেন। এছাড়া যুব বিশ^কাপ জয়ী ক্রিকেট দলের সদস্যরাও সাহায্যের জন্য বিসিবিতে বেতনের টাকা জমা দিয়েছেন। ক্রিকেটারদের মধ্যে সকলেই কমবেশি ত্রাণ নিয়ে সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন। মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত থেকে শুরু করে সৌম্য সরকার কেউ বাদ নেই।
এরপর আবার নতুন করে পরিকল্পনা হাতে নেবার ইচ্ছে আছে।’ অন্যদিকে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) নিজেদের অর্থে ২০ হাজার পরিবারের মাঝে ত্রাণ বিতরনের কার্যক্রম শুরু ঘোষণা দিয়েছে অনেক আগেই। গতকাল রাত অবদি বিসিবির মিরপুর কার্যালয়ে বিসিবি পরিচালক আইএস মল্লিকের নেতৃত্বে বৈঠক শুরু হয়। ২০ হাজার পরিবারের ত্রাণের কার্যক্রমের এটাই বিসিবির প্রথম বৈঠক। বিসিবি এখনো ঘোষণা দেয়নি কিভাবে বা কোন কোন এলাকায় ত্রাণ দেবে বিসিবি।এরপর আবার নতুন করে পরিকল্পনা হাতে নেবার ইচ্ছে আছে।’
অন্যদিকে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) নিজেদের অর্থে ২০ হাজার পরিবারের মাঝে ত্রাণ বিতরনের কার্যক্রম শুরু ঘোষণা দিয়েছে অনেক আগেই। গতকাল রাত অবদি বিসিবির মিরপুর কার্যালয়ে বিসিবি পরিচালক আইএস মল্লিকের নেতৃত্বে বৈঠক শুরু হয়। ২০ হাজার পরিবারের ত্রাণের কার্যক্রমের এটাই বিসিবির প্রথম বৈঠক। বিসিবি এখনো ঘোষণা দেয়নি কিভাবে বা কোন কোন এলাকায় ত্রাণ দেবে বিসিবি।
উল্লেখ্য, বুধবার (১৫ এপ্রিল) করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ রোধে স্থানীয় প্রশাসনকে ২০টি মেডিকেল ইনফ্রারেড থার্মোমিটার দিয়েছিলেন বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের খেলোয়াড় রুবেল হোসেন। রুবেলের পাঠানো এসব ইনফ্রারেড থার্মোমিটার জেলা প্রশাসক মামুনুর রশীদের হাতে তুলে দেন সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান সরদার নাসির উদ্দিন। এ সময়ে উপস্থিত ছিলেন বাগেরহাটের পুলিশ সুপার পংকজ চন্দ্র রায়সহ প্রশাসনের কর্মকর্তারা।