একজন করোনা যোদ্ধা

0
471

মোঃ যোবায়ের হোসেন, ঝিনাইদহ থেকেঃ সারা পৃথিবী যখন মহামারি তে আক্রান্ত এবং পৃথিবীর সমস্ত সেক্টর যখন সরকারিভাবে বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। থেমে গেছে শিক্ষাঙ্গন কিন্তু থেমে থাকেনি একজন শিক্ষক।

বলছিলাম মস্তবাপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়েরর অংকের শিক্ষক মিজানুর রহমান মিজান স্যারের কথা। তিনি জন্মগ্রহণ করেন ১৯৭৭ সালের ঝিনাইদহ জেলার কালিগঞ্জ উপজেলার একটি শিক্ষক পরিবারে। তাঁর পিতা ছিলেন একটি প্রাইমারি স্কুলের প্রধান শিক্ষক। তিনি এসএসসি পাস করেন ১৯৯৩ সালে এম এস হাই স্কুল বালিয়াডাঙ্গা থেকে এবং উচ্চমাধ্যমিক শেষ করেন যশোর ক্যান্টনমেন্ট কলেজ থেকে ১৯৯৫ সালে এবং যশোর সরকারি এম এম কলেজ থেকে অংকে অনার্স শেষ করেন। সর্বশেষ ২০১৩ সালে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অংকের উপর মাস্টার্স শেষ করেন।

তিনি পেশায় একজন শিক্ষক হলেও নিজেকে কৃষক বলতে ভালবাসেন। কৃষক হিসেবে তিনি তিন একর জমির উপরে চাষ করেছেন ড্রাগন, মাল্টা সহ অন্যান্য ফসল।

তার সাথে করোনা, শিক্ষাঙ্গন ও শিক্ষা নিয়ে আলোচনায় তিনি বলেন দেশের এই পরিস্থিতিতে তিনি স্কুলে যেয়ে ক্লাস নিতে না পারলেও ZOOM নামের একটা অ্যাপ থেকে অভিভাবক ছাত্র-ছাত্রীদের সাথে যোগাযোগ করে অনলাইনের মাধ্যমে ক্লাস নিচ্ছেন। তার এই অনলাইন ক্লাসে জয়েন করতে পারবেন দেশের বিভিন্ন প্রান্তের ছাত্র-ছাত্রীরা। এই জন্য তিনি তার ফেসবুক পোস্টের মাধ্যমে বার বার জানিয়ে দিচ্ছেন। এছাড়াও ইউটিউবে তার ইত্যাদিস্কুল নামে একটি চ্যানেল রয়েছে সেখান থেকে পৃথিবীর যেকোন প্রান্ত থেকে অংক বিষয়ে বিভিন্ন সমাধান ছাত্র-ছাত্রীরা অনলাইনে পেতে পারেন।
এছাড়াও তিনি শিক্ষকতার পাশাপাশি কৃষি আধুনিকায়নের জন্য বিভিন্নভাবে পরামর্শ দিয়ে থাকেন। তিনি শিক্ষকতা ও কৃষির পাশাপাশি একাধারে একজন সমাজকর্মী। তিনি জিনিয়াস ডিবেটিং ক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা এবং বিডি টুয়েন্টিফোর লাইভের ঝিনাইদহ প্রতিনিধি।