দিনাজপুরের বীরগঞ্জে প্রেমিকের বাড়ীতে কলেজ ছাত্রী প্রেমিকার আমরন অনশন

0
97

শেখ সাইদুল আলম সাজু,দিনাজপুর প্রতিনিধিঃ দিনাজপুরেরর বীরগঞ্জে ৩দিন ধরে প্রেমিকের বাড়ীতে কলেজ ছাত্রী প্রেমিকা মেহর বানু (২৩) আমরন অনশন শুরু করেছে।

বীরগঞ্জ উপজেলা সদর থেকে ৪০ কিলোমিটার উত্তরে পলাশবাড়ী ইউনিয়নের বড় মসজিদ পাড়ার নজরুল ইসলাম নজুর মেয়ে গড়েয়া ডিগ্রী কলেজের বিএ ফাইনাল পরিক্ষার্থীনি মেহের বানু (২৩) প্রেমের পরিনতিতে বিবাহের দাবিতে গত ১৮ ডিসেম্বর দিবাগত রাত সারে ৩ টার সময় একই গ্রামের শাহাপাড়ার মৃতঃ আজিজুল হকের ছেলে রুবেল ইসলামের বাড়ীতে এসে বিবাহের দাবিতে শোওয়ার ঘরে উঠেন।

প্রেমিকার উপস্থিতি বুঝতে পেরে প্রেমিক প্রকৃতির সারা দেয়ার কথা বলে লোকজনকে লেলিয়ে দিয়ে বাড়ী থেকে পালিয়ে যায়। অবস্থার বেগতি দেখে প্রেমিকের বড় ভাই লাবলু, ভাবী খাদিজাসহ আরো ৯/১০ জন বোন-ভাবী তার উপর চড়াও হয় ও মারপিট করে টেনে হেচরে তাকে বাড়ী থেকে বের করে দেয়।

মেহের বানু বাড়ীর উঠানে বিবাহের দাবিতে আমরন অনশন শুরু করেন। সংবাদ পেয়ে সংরক্ষিত মহিলা ওয়ার্ড সদস্য সবিতা রানী প্রেমিকা মেহের বানুকে মারপিট করে জোর পূর্বক রিক্সা- ভ্যানে তুলে মেহের বানুকে তার বাবার বাড়ীতে পৌছে দিতে গেলে তিনি জনরোশে পরেন। মেহের বানু আবার প্রেমিকের বাড়ীতে ফিরে এসে অবস্থান নেয়।

কলেজ ছাত্রী – মেহের বানু জানান, বিবাহের প্রলোভনে দীর্ঘ ৫ বছর পূর্বে তাদের উভয়ের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক হয়। বিবাহের বিশ্বাস স্থাপন করে দৈহৃিক সম্পর্ক স্থাপন করে। প্রেমিক রুবেল গত দুই সপ্তাহ থেকে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে প্রতারনার আশ্রয় নিয়েছে বর্তমানে আমার মোবাইল ধরতেছে না বা যোগাযোগ রাখছে না।

তার সাথে আমার বিবাহ না হলে আত্মহত্যা ছাড়া আমার কোন পথ থাকবেনা। রুবেলের মা- মেরী বেওয়া জানান, আমার ছেলের সাথে মেহের বানুর প্রেমের সম্পর্কের কথা উকিল জামাই এনামুল হকের মাধ্যমে জেনেছি কিন্তু ছেলে বিবাহে রাজি না থাকার কারনে বিবাহ দেওয়া সম্ভব হয়নি।

পলাশবাড়ী ইউপি চেয়ারম্যান জুয়েলুর রহমান জুয়েল সংবাদের সত্যতা নিশ্চিত জানান, বিষয়টি গ্রামবাসী আমাকে জানিয়েছে। সংবাদ পেয়ে আইন- শৃংঙ্খলা অবস্থা শান্ত রাখার জন্য ২ জন ইউপি সদস্য ও গ্রাম পুলিশকে ঘটনা স্থলে পাঠানো হয়েছে এবং থানা পুলিশকে বিষয়টি অবহিত করেছি। বর্তমানে মেহের বানু রুবেল ইসলামের বাড়ীর শোওয়ার ঘরে অবস্থান নিয়েছে।