
অনুমতি ছাড়া কোনো শিক্ষক অন্য পেশায় যুক্ত থাকলে তদন্ত করে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর প্রশাসনিক ও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন।
শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শৃঙ্খলা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে সরকার কঠোর অবস্থানে রয়েছে বলেও তিনি মন্তব্য করেছেন। শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে চাঁদপুর-১ আসনের কচুয়া উপজেলায় নিজ নির্বাচনি এলাকায় সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী এসব কথা বলেন।
ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে এই আসন থেকে বিপুল ভোটে নির্বাচিত আ ন ম এহছানুল হক মিলন শিক্ষা মন্ত্রী এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রীর দ্বায়িত্ব পেয়েছেন। এহছানুল হক বলেন, শিক্ষকতা একটি মহান ও দায়িত্বশীল পেশা। শিক্ষার্থীদের মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করতে হলে শিক্ষকদের পুরো সময় ও মনোযোগ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কার্যক্রমে দিতে হবে।
সরকারি বিধিমালা লঙ্ঘন করে কেউ যদি অন্য পেশায় সম্পৃক্ত হন, তবে তা শিক্ষা ব্যবস্থার জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। শিক্ষামন্ত্রী বলেন, কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে দায়িত্বে অবহেলা, অনিয়ম বা দুর্নীতির অভিযোগ পাওয়া গেলে গণমাধ্যম তা প্রকাশ করতে পারে।
গণমাধ্যমের প্রকাশিত প্রতিবেদন কিংবা অন্য কোনো মাধ্যমে অভিযোগ পাওয়ার পর বিষয়টি যাচাই-বাছাই করে সত্যতা প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ সময় প্রশাসনের বিভিন্ন কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। পরে কচুয়া উপজেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভায় অংশ নেন এবং স্থানীয় সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন শিক্ষামন্ত্রী এহছানুল হক মিলন।