
যশোরের বাঘারপাড়া থানা এলাকায় পৈতৃক সম্পত্তি থেকে বঞ্চিত করা ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ তুলে সংবাদ সম্মেলন করেছেন মোছা. মাছুদা পারভীন (মিমি) নামে এক নারী।
রোববার (০১ মার্চ)প্রেসক্লাব যশোরে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি লিখিত বক্তব্যে জানান, পাঁচ বছর আগে তার পিতা মাসুদুল হক মারা যান। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী ও একমাত্র কন্যা হিসেবে মিমিকে ওয়ারিশ রেখে যান। বাঘারপাড়া উপজেলার ভিটাবল্যা মৌজায় ৩ দশমিক ৮৪ একর (প্রায় ৩৮৪ শতক) জমি রয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।
মিমির অভিযোগ, মুসলিম ফারায়েজ অনুযায়ী তার প্রাপ্য ৬৬ শতক জমি হলেও বড় চাচা মাহমুদুল হক ও ছোট চাচা মঞ্জুরুল হক রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে এবং এতিম হওয়ায় তাকে ভুল বুঝিয়ে মাত্র ২৭ শতক জমি বুঝিয়ে দেন। বাকি জমি দাবি করলে তাকে অপমান ও প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়। চাচারা নাকি তাকে বলেন,“যে টুকু দিয়েছি তা নিয়ে ভোগ দখল কর, বেশি দাবি করলে জীবন শেষ করে দেব।”
তিনি আরও জানান,গত ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে তার প্রাপ্য ৬৬ শতক জমি পান্না শেখ ও সানি আহম্মেদের কাছে বিক্রি করেন। পরবর্তীতে ক্রেতারা জমির গাছপালা কাটতে গেলে অভিযুক্ত চাচারা পুলিশ এনে কাজে বাধা দেন। পুলিশ উভয় পক্ষকে ২৮ ফেব্রুয়ারি কাগজপত্রসহ থানায় উপস্থিত হতে বললেও তার চাচারা সেখানে হাজির হননি বলে দাবি করেন তিনি।