
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) রাত ১১ টার সময় বিজিবি জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায় যে, অত্র ব্যাটালিয়নের অধীনস্থ কায়বা বিওপি’র দায়িত্বপূর্ণ সীমান্ত এলাকা দিয়ে দুষ্কৃতিকারী অস্ত্রসহ ভারত হতে বাংলাদেশে প্রবেশ করতে পারে।
উক্ত সংবাদের ভিত্তিতে অত্র ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেঃ কর্ণেল মোঃ নাফিজ ইমতিয়াজ আহসান এর নেতৃত্বে কায়বা বিওপি’র টহল দল সীমান্ত পিলার ১৭/৭ এস এর ১৮ আর পিলার হতে আনুমানিক ৫০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে কায়বা গ্রামস্থ দাদখালী নামক স্থানে পাকা রাস্তার পার্শ্বে গোপনীয়তার সাথে অবস্থান নেয়। বিজিবি টহল দল ভারত হতে ইছামতি নদী পার হয়ে কায়বা অভিমুখে এক জন ব্যক্তিকে আসতে দেখে এবং টহল দলের নিকটবর্তী আসলে তাকে থামতে বলে।
উক্ত ব্যক্তি না থেমে তার সাথে থাকা একটি ব্যাগ ফেলে দৌড়ে ইছামতি নদীতে ঝাঁপ দেয় এবং নদী সাঁতরে ভারতের অভ্যন্তরে পালিয়ে যায়।পরবর্তীতে বিজিবি টহল দল ফেলে যাওয়া ব্যাগটি তল্লাশী করে ১টি ৭.৬৫ এমএম পিস্তল (চায়না), ১ টি ম্যাগাজিন, ৫ রাউন্ড গুলি এবং ৪০ বোতল ভারতীয় এস্কার্প সিরাপ উদ্ধার করা হয়।
উদ্ধারকৃত পিস্তলের মূল্য-১,০০,০০০/-, ম্যাগাজিন-৫,০০০/-, গুলির মূল্য-১,০০০/- এবং ভারতীয় এস্কার্প সিরাপ এর মূল্য-১৬,০০০/- টাকাসহ সর্বমোট সিজার মূল্য-১,২২,০০০/- (এক লক্ষ বাইশ হাজার) টাকা।
বিজিবি অধিনায়ক আরো জানান যে, দেশের সীমান্ত এলাকায় অস্ত্র, মাদক ও অন্যান্য চোরাচালানীসহ যে কোন ধরণের চোরাচালান বন্ধে বিজিবি’র এ ধরণের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানান বিজিবি কর্মকর্তা।