রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬, ১০:৫৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
বাঘারপাড়ায় ২০ পিস ইয়াবাসহ যুবক গ্রেফতার।​ স্কুলে কোচিংয়ে যাওয়ার কথা বলে নিখোঁজ স্কুলছাত্রী: ১০ দিনেও মেলেনি সন্ধান ঝিকরগাছায় জামায়াতের রোকন সম্মেলন, স্থানীয় নির্বাচনে দলীয় প্রার্থীকে বিজয়ী করতে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজের আহ্বান ভোলায় এইচএসসি পরীক্ষার্থী-পুলিশ সংঘর্ষে আহত ১০ চট্টগ্রাম বোর্ডের এইচএসসি পরীক্ষা ১৬ জুলাই পর্যন্ত স্থগিত এবিএস ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে জিনিয়াস প্রি-ক্যাডেট স্কুলে বৃক্ষরোপণ ও চারা বিতরণ অনুষ্ঠিত সাতক্ষীরা-কলারোয়া সীমান্তে বিজিবির পৃথক অভিযানে প্রায় ৭ লাখ টাকার মাদক ও ভারতীয় পণ্যসহ আটক ১ জলাবদ্ধ এলাকায় পানিতে নেমে দুর্গতদের ত্রাণ দিলেন এমপি গোলাম রছুল নানা আয়োজনে বাঘারপাড়ায় জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস-২০২৬ পালিত গণভোট বাস্তবায়নের দাবিতে অভয়নগরে ১১ দলীয় জোটের বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত

রাশেদ খানের সামনেই বিএনপির দুগ্রুপের হাতাহাতি, পুলিশের ওপর হামলা

  • প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ৩৩৭ বার পড়া হয়েছে

ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঝিনাইদহ-৪ আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী রাশেদ খানের নির্বাচনি অফিসে শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়। বিএনপির মহারাজপুর ইউনিয়নের দুটি গ্রুপের মধ্যে তীব্র হাতাহাতি ও ধাক্কাধাক্কি হয়, যা ক্রমে পুলিশের ওপর হামলায় রূপ নেয়। এতে আটাধিক ব্যক্তি আহত হন, যার মধ্যে তিনজন পুলিশ সদস্য রয়েছেন।

নির্বাচনী প্রস্তুতি ও সমন্বয় সভা চলাকালে সংঘর্ষের সূত্রপাত ঘটে। মহারাজপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবু সাইদ আলতাফ অভিযোগ তোলেন যে, স্থানীয় চেয়ারম্যান খুরশিদ আলম স্বতন্ত্র প্রার্থীর পক্ষে ও জামায়াত সমর্থিত ভোটে সক্রিয় রয়েছেন। অভিযোগের প্রেক্ষিতে সভাপতিত্বকারী ও স্থানীয় নেতাদের মধ্যে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়, যা শেষ পর্যন্ত চেয়ার ও অন্যান্য সরঞ্জাম নিয়ে হাতাহাতিতে পৌঁছে।

সংঘর্ষকারীরা ধীরে ধীরে থানার ভেতরে প্রবেশ করে পুলিশ সদস্যদের ওপর হামলা চালায়। এতে এএসআই জাহিদ, কনস্টেবল পিকুল ও কনস্টেবল সেলিম আহত হন। আহতদের মধ্যে দুজনকে স্থানীয় কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসার জন্য নেওয়া হয়। পুলিশের পক্ষ থেকে লাঠিচার্জের মাধ্যমে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়।

বিএনপি প্রার্থী রাশেদ খান বলেন,

“দীর্ঘদিন ধরে মহারাজপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি শাজাহান আলী ও সাধারণ সম্পাদক আবু সাইদ আলতাফ এর মধ্যে দ্বন্দ্ব ছিল। আজ সেই দ্বন্দ্বের কারণে দুপক্ষের মধ্যে উত্তপ্ত পরিস্থিতি তৈরি হয়। এই সংঘর্ষে আমি নিজেও বিব্রতকর অবস্থায় পড়েছি।”

অন্যদিকে, মহারাজপুর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান খুরশিদ আলম জানান,

“আমি ও অন্যান্য নেতারা সাক্ষাৎ করতে নির্বাচনি অফিসে এসেছিলাম। সাধারণ সম্পাদক একতরফাভাবে বক্তব্য রাখায় সামান্য ঝামেলা সৃষ্টি হয়েছে। এটি মোটেও কোনো রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র নয়।”

কালীগঞ্জ থানার ওসি জেল্লাল হোসেন জানান,

“বিএনপির সমন্বয় সভার সময় দুই গ্রুপের মধ্যে হাতাহাতি হয়। পরে তারা থানায় ঢুকে পুলিশের ওপর হামলা চালায়। পুলিশ লাঠিচার্জ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। আহত পুলিশ ও নেতাকর্মীদের হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।”

সংঘর্ষে অন্তত ৮ জন আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে পুলিশ ছাড়াও সাধারণ নেতাকর্মী রয়েছেন। আহতদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা স্থিতিশীল, তবে পরিস্থিতি উদ্বেগজনক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

ঝিনাইদহ-৪ আসনটি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র। বিএনপির এই আসনে রাশেদ খানের মনোনয়ন তারেক রহমানের দলের প্রত্যাশা ও কৌশলের সঙ্গে যুক্ত। স্থানীয় বিএনপির দুই গ্রুপের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিদ্যমান দ্বন্দ্ব আজ প্রকাশ্যে এসেছে, যা দলের নির্বাচনী কর্মকাণ্ডকে প্রভাবিত করতে পারে।

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২
১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭২৮২৯৩০৩১  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত -২০২৬, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।
Theme Customized By BreakingNews