সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬, ১০:০৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
বাঘারপাড়ায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় ছাত্রলীগ নেতা গ্রেপ্তার, কারাগারে প্রেরণ ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার ছিলেন অনন্য এক প্রতিষ্ঠান: সংসদে শ্রদ্ধা বন্যায় ৭ জেলায় ক্ষতিগ্রস্ত ১০ লাখ মানুষ, মৃত ৫১ বাঘারপাড়া পৌরসভার তিনটি ওয়ার্ডে জলাবদ্ধতা, ইউনিয়ন ব্যবস্থায় ফিরতে চায় জনগণ চাপাতি নিয়ে ইজিবাইক স্ট্যান্ডে ভয়ভীতি ও চাঁদা দাবির অভিযোগ, থানায় লিখিত অভিযোগ। বাঘারপাড়ায় ২০ পিস ইয়াবাসহ যুবক গ্রেফতার।​ স্কুলে কোচিংয়ে যাওয়ার কথা বলে নিখোঁজ স্কুলছাত্রী: ১০ দিনেও মেলেনি সন্ধান ঝিকরগাছায় জামায়াতের রোকন সম্মেলন, স্থানীয় নির্বাচনে দলীয় প্রার্থীকে বিজয়ী করতে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজের আহ্বান ভোলায় এইচএসসি পরীক্ষার্থী-পুলিশ সংঘর্ষে আহত ১০ চট্টগ্রাম বোর্ডের এইচএসসি পরীক্ষা ১৬ জুলাই পর্যন্ত স্থগিত

শেষ হল বাঘারপাড়ার কালুডাঙ্গার পূজা অর্চনা এখানে ভক্তদের ভক্তি আর বিশ্বাসে মুক্তি মেলে

  • প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৪ মে, ২০২৬
  • ২২৩ বার পড়া হয়েছে

শেষ হল হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের তীর্থ ভূমি কালুডাঙ্গা হাজরা তলার চার দিন ব্যাপি পূজা অর্চনার সব যজ্ঞ। লাখো ভক্তের উপস্থিতিতে চলে সারা দিন-রাতভর নাম যজ্ঞ, প্রসাদ বিতরণ আর মনোবাসনা পূরণে বিভিন্ন মন্দিরে প্রণামের মাধ্যমে প্রার্থনা করা। সব কিছুর মাঝে এ স্থান হয়ে ওঠে আত্ত্বীয় স্বজন আর পরিচিত জনের এক মিলন মেলা। প্রতি বৈশাখের শেষ মঙ্গলবার হিসাব করে তার আগের রবিবার থেকে শুরু হয় অধিবাস। সোমবার থেকে বুধবার রাত পর্যন্ত চলে নাম যজ্ঞ। এ তিন দিন ভোর সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত চলে আনন্দ বাজারে প্রসাদ বিতরণ।
বাঘারপাড়ার ধলগ্রাম ইউনিয়নের বরভাগ গ্রামে প্রায় চারশ বছর ধরে চলছে কালুডাঙ্গা হাজরা তলার এ অনুষ্ঠান। এখানকার দায়িত্বপ্রাপ্ত ঠাকুর স্বপন চক্রবর্তী জানিয়েছেন, তারা নয় পুরুষ ধরে এখানকার সেবা করে আসছেন। কালুডাঙ্গায় ভক্তদের ভক্তি আর বিশ্বাসে মুক্তি মেলে। যে কারণে প্রতি বছর এখানে ভক্তদের সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। গত বছর সবজি বাদে প্রায় তিনশ মণ চাল ডাল রান্না হয়। এ বছর আরো পঞ্চাশ মণ বাড়তি রান্না হয়েছে। তিন দিনে লাখো ভক্ত এ প্রসাধ খেয়ে থাকেন। অনেকেই আছেন শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত কালুডাঙ্গাতে অবস্থান করে। এগারো মন্দির ছাড়াও এখানে কীর্তন দলের থাকার ঘরও রয়েছে। আছে একটি পুকুর। এ পুকুরে তারা গোসল করাকে মনে করেন গঙ্গা স্নান।
কালুডাঙ্গা হাজরাতলা মন্দির কমিটির সভাপতি রবেন অধিকারি জানান, চার দিন ধরে সব আয়োজনে ব্যায় হয় কয়েক লক্ষ টাকা। যা স্থানীয়দের সহযোগিতা আর বিভিন্ন স্থান থেকে আসা ভক্তদের সহায়তায় সম্পন্ন হয়। প্রতি বছর এ যজ্ঞে দেশের বিভিন্ন জেলা ছাড়াও ভারতের প্রায় সব রাজ্য থেকেই এখানে ভক্তদের আগমন ঘটে। এ স্থানের সব উন্নয়ন কাজই সম্পন্ন হয়েছে ভক্তদের সহায়তায়। সরকারিভাবে তেমন একটা উন্নয়নের ছোয়া লাগেনি। এ বছর যশোর জেলা প্রশাসক মাত্র এক মেট্রিক টন জি আর এর চাল দিয়েছেন। যা প্রয়োজনের তুলনায় একেবারেই নগন্য। বছরের শুধু বৈশাখ মাসেই অনুষ্ঠান হয় না। সারা বছর প্রতি শনি ও মঙ্গলবারে এখানে বার বসে। এসব দিনেও এখানে ভক্তদের আনাগোনা হয়।

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২
১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭২৮২৯৩০৩১  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত -২০২৬, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।
Theme Customized By BreakingNews