বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬, ১২:০৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
সরকারি গাছ চুরির মামলায় সাবেক মেয়রসহ ৫ জনের জামিন যশোরে বোমা হামলা ও নাশকতা মামলায় বাঘারপাড়ার ছাত্রলীগ কর্মী গ্রেফতার। দোকানদারের ভুল কিটনাশকে বাঘারপাড়ায় দুই লক্ষাধিক টাকার মাছ নিধন! আবারও চিত্রা মডেল কলেজের সভাপতি শামীম আকতার বাঘারপাড়ায় অস্ট্রেলিয়ায় চাকরির প্রলোভনে ১২ লাখ টাকা, মানব পাচার মামলায় কাইয়ুম আটক বাঘারপাড়া মহিলা কলেজের অ্যাডহক কমিটির সভাপতি নূরে আলম সোহাগকে সংবর্ধনা জুলাই আন্দোলন বিপ্লবীদের জন্য সহজ ছিল না ——–যশোর ৪ আসনের এমপি গোলাম রসুল বাঘারপাড়ায় গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে উপজেলা প্রশাসনের আলোচনা সভা জুলাই স্মরণে বাঘারপাড়া উপজেলা বিএনপির র‌্যালি ও আলোচনা সভা চিত্রা মডেল কলেজে জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া অনুষ্ঠিত

বাঘারপাড়া পৌরসভার তিনটি ওয়ার্ডে জলাবদ্ধতা, ইউনিয়ন ব্যবস্থায় ফিরতে চায় জনগণ

  • প্রকাশিত: রবিবার, ১২ জুলাই, ২০২৬
  • ১১৮ বার পড়া হয়েছে

বাঘারপাড়া (যশোর) প্রতিনিধি : যশোরের বাঘারপাড়া পৌরসভার বিভিন্ন ওয়ার্ডে গত দুই দিনের টানা বর্ষায় জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। এতে চরম ভোগান্তিতে আছেন তিনটি ওয়ার্ডের বাসিন্দারা। পৌরবাসীর অভিযোগ, অপরিকল্পিত ও অপরিচ্ছন্ন ড্রেনেজ ব্যবস্থা এবং দুটি কালভার্ট সংস্কার না করায় এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। পৌরসভার চেয়ে সেই ইউনিয়ন পরিষদ থাকাই ভালো ছিল বলে মত প্রকাশ করেছেন অনেকে।
সরেজমিনে পৌরসভার ৭, ৮ ও ৯ নং ওয়ার্ড ঘুরে দেখা যায়, বেশ কয়েকটি বাড়ির উঠানে ড্রেনের পঁচা পানি। এতে অনেকের পয়োনিষ্কাশন ব্যবস্থা ভেঙ্গে পড়েছে। একই সাথে ময়লা পানিতে চলাচল করায় অনেকের শরীরে খোস-পাঁচড়াও দেখা দিয়েছে।
পৌরসভার ৭নং ওয়ার্ডের পাওয়ার হাউজ পাড়ায় (বিল পাড়া) বীর মুক্তিযোদ্ধা মান্নান শেখ, শহীদুল ইসলাম ও আলী বঙ্রে বাড়ি। সামান্য বৃষ্টি হলেই বাড়িতে পানি উঠে যায়। মান্নান শেখের স্ত্রী কুলসুম বেগম জানালেন, গত কয়েক বছর পানি বের হওয়ার কালভার্ট বন্ধ হওয়ায় বৃষ্টি হলেই বাড়িতে পানি উঠে যায়। তখন দুর্ভোগের শেষ থাকে না। একই অভিযোগ জানালেন, ৮নং ওয়ার্ডের আব্দুর রহমান মিন্টু ও ৯ নং ওয়ার্ডের জসিমের স্ত্রী মিতা বেগম। মিতা বেগম একটি ভবনের কাজ শুরু করেছেন। তিনি বর্তমানে যেখানে আছেন তার চারিদিকে হাটু পানি। রান্নাঘর,শৌচাগার ও মুরগির ঘর পানির নিচে। দিনের ১৬ঘন্টাই তার পানিতে ভিজতে হয়। এতে তার ও সন্তানদের শরীরে খোস-পাঁচড়া দেখা দিয়েছে।
বাঘারপাড়া পৌর বিএনপির সাধারন সম্পাদক আব্দুর রহমান মিন্টু বলেন, ৭,৮ও ৯ ওয়ার্ডের পানি মহিরন বিলপাড়ার দুটো কালভার্ট দিয়ে ঢেপোর খাল দিয়ে চিত্রা নদীতে যেত। এখানে ৮ নং ওয়ার্ডের শহীদুলের বাড়ির পাশের কালভার্টটি বিগত আওয়ামীলীগ আমলের মেয়র মাত্র ১২ ইঞ্চির একটি আরসিসি পাইপ ব্যবহার করে। যা দিয়ে অনেক ধীর গতিতে পানি নামে। এছাড়াও দীর্ঘ দিন সংস্কারের অভাবে সেটাও বন্ধ হয়ে আছে। ফলে ভারী বৃষ্টি হলেই বসত বাড়িতে পানি জামে যায়। এছাড়াও গত ২০/২১ অর্থ বছরে এডিপি প্রকল্পের আওতায় মহিরন বিলপাড়ার ছোট বটতলায় একটি কালভার্ট করা হয়। এর পাশের জমির মালিক কালভার্টের মুখে মাটি ভরাট করায় সেটাও দীর্ঘদিন বন্ধ হয়ে আছে। আব্দুর রহমান মিন্টু দাবি জানান, প্রশিকার মোড়ের ড্রেন পরিস্কার, শহীদুলের বাড়ির পাশে একটি কালভার্ট ও ছোট বটতলার কালভার্টটির মুখে মাটি অপসারণ করা গেলে তিনটি ওয়ার্ড জলাবদ্ধতা থেকে বাঁচবে। এতে আমন চাষীরাও উপকৃত হবে।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে ৮ নং ওয়ার্ডের এক বাসীন্দা জানালেন, পৌরসভা হওয়ার পর জমি ও ঘর-বাড়ির ট্যাঙ্ বেড়েছে। কিন্তু নাগরিকসুবিধা মোটেই বাড়েনি। এর চেয়ে ইউনিয়ন পরিষদ থাকাই ভালো ছিলো।
বাঘারপাড়া পৌর প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার ভুপালী সরকার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) এ বিষয়ে বলেন, আমি আজই (রোববার) সরেজমিনে পরিদর্শণ করব। এরপর টেকনিসিয়নদের সাথে পরামর্শ করে ও দ্রুত সময়ে তিনটি ওয়ার্ডে জলাবদ্ধতার স্থায়ি সমাধান করা হবে।

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩১৪১৫১৬
১৭১৮১৯২০২১২২২৩
২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০
৩১  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত -২০২৬, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট