
বাঘারপাড়া প্রতিনিধি: যশোরের বাঘারপাড়া উপজেলার জামদিয়া ইউনিয়নে অনুষ্ঠিত মহিউদ্দিন বিশ্বাস ফাউন্ডেশন আয়োজিত ৮ দলীয় ফুটবল টুর্নামেন্টের জমজমাট ফাইনালে যশোরের জামান ট্রেডার্স একাদশকে ১-০ গোলে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে স্বাগতিক বাকড়ী থ্রি স্টার ক্লাব।
শুক্রবার (৩১ জুলাই) বিকেলে উপজেলার ঐতিহ্যবাহী এগারোখান-বাকড়ী গোচর ফুটবল মাঠে স্থানীয় এলাকাবাসীর উদ্যোগে আয়োজিত ফাইনাল ম্যাচে হাজারো দর্শকের উপস্থিতিতে উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়। খেলার উদ্বোধন করেন যশোর জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মোস্তফা আমীর ফয়সাল। এর আগে গত ১ জুলাই বাঘারপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ভুপালী সরকার টুর্নামেন্টের উদ্বোধন করেছিলেন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যশোর জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব রজিদুর রহমান সাগর, যুগ্ম আহ্বায়ক আলী হায়দার রানা ও শামীম আখতার, বাঘারপাড়া উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক বিল্লাল বিশ্বাস, উপজেলা ক্রীড়া পরিষদের নির্বাহী সদস্য মাসুদ আলম টিপু, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব জাকির হোসেন সুহুদ, উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক নাফিস ইকবাল ঈসা, পৌর ছাত্রদলের সদস্য সচিব হৃদয় তারেকসহ স্থানীয় ক্রীড়া সংগঠক ও সাবেক খেলোয়াড়রা।
মহিউদ্দিন বিশ্বাস ফাউন্ডেশনের প্রধান পৃষ্ঠপোষক, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক এবং জামদিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান প্রার্থী মাজহারুল ইসলাম খোকনের সভাপতিত্বে ফাইনাল ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।
খেলার শুরু থেকেই দুই দলের মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হয়। প্রথমার্ধে বাকড়ী থ্রি স্টার ক্লাবের হয়ে জয়সূচক একমাত্র গোলটি করেন আশরাফুল। গোল করার কিছুক্ষণ পর লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়লেও ১০ জনের দল নিয়ে অসাধারণ রক্ষণভাগের নৈপুণ্যে শেষ পর্যন্ত জয় ধরে রাখে বাকড়ী থ্রি স্টার ক্লাব। অন্যদিকে একাধিক সুযোগ পেয়েও গোল করতে ব্যর্থ হয় জামান ট্রেডার্স একাদশ।
ফাইনাল শেষে ম্যাচসেরা ও টুর্নামেন্টসেরা খেলোয়াড় নির্বাচিত হন চ্যাম্পিয়ন দলের রনি। একই দলের গোলরক্ষক বাবু টুর্নামেন্টের সেরা গোলরক্ষকের পুরস্কার অর্জন করেন।
এর আগে নড়াইলের খড়রিয়া ফুটবল একাদশ ও যশোরের কেশবপুর ফুটবল একাদশকে হারিয়ে ফাইনালে ওঠে জামান ট্রেডার্স একাদশ। অন্যদিকে খুলনার এসবি আলী ফুটবল একাদশ এবং মাগুরার ফ্রেন্ডস ক্লাবকে পরাজিত করে ফাইনাল নিশ্চিত করে বাকড়ী থ্রি স্টার ক্লাব।
কানায় কানায় পূর্ণ দর্শক, টানটান উত্তেজনা এবং প্রাণবন্ত সমর্থনে মুখরিত ফাইনাল ম্যাচটি পরিচালনা করেন রেফারি ফেরদৌস হাসান। তাকে সহযোগিতা করেন জিল্লুর রহমান ও বীরেশ্বর মণ্ডল।