
যশোর ৪ আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা জামায়াতের আমির গোলাম রসুল বলেছেন, জুলাই আন্দোলন কোনও রাজনৈতিক দল মাষ্টার মাইন্ড ছিল না। যারা আন্দোলনে অংশ নেননি তারাই এখন নিজেদের মাষ্টার মাইন্ড দাবি করছেন। জুলাই আন্দোলন বিপ্লবীদের জন্য সহজ ছিল না। বিপ্লবীদের আশ্রয় দেওয়ার মতও কেউ ছিল না। বিপ্লবীদের আপনজনরাও তাদের আশ্রয় দেয়নি। জুলাই আন্দোলনে অংশ নেওয়া প্রতিটি ব্যক্তি একেকজন মাস্টারমাইন্ড। সরকারের প্রতি স্পষ্ট বার্তা দিয়ে তিনি বলেন, জুলাইয়ের শহীদ ও যোদ্ধাদের অবমূল্যায়ন করা হলে এবং তাদের ত্যাগের ইতিহাস বিকৃত করার চেষ্টা করা হলে জনগণ তা মেনে নেবে না। বাঘারপাড়া ৫ আগষ্ট জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসের আলোচনা সভায় গোলাম রসুল এসব কথা বলেন। তিনি সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে আরো বলেন, কারও অবদান যেন হারিয়ে না যায়। ১৯৭১ সালের মতো ২০২৪ সালের জুলাই আন্দোলনের ইতিহাসও যেন হারিয়ে না যায়। বর্তমান সরকারের প্রধান মন্ত্রী তারেক রহমানের ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ শ্লোগানকে উদ্দেশ্য করে বলেন, শ্লোগান মুখে বললে হবে না। কাজে প্রমাণ দিতে হবে। সব জায়গা থেকে বৈষম্য দুর হলেই ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ শ্লোগান বাস্তবে রুপ নেবে। বুধবার সকালে বাঘারপাড়া উপজেলা সদরের চৌরাস্তা মোড়ে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা জামায়াতের আমির মাওলানা রফিকুল ইসলাম। জামায়াত নেতা মাওলানা আব্দুল আলিমের সঞ্চালনায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন যশোর জেলা জামায়াতের সহকারি সেক্রেটারি গোলাম কুদ্দুস, বাঘারপাড়া উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মাওলানা আব্দুল জব্বার, জামায়াতের পৌর মেয়র প্রার্থী মতিউর রহমান, বাঘারপাড়া পৌর আমির সিদ্দিকুর রহমান, জামায়াত নেতা আব্দুল হক, মাওলানা আমানুল্লাহ, যশোর জেলা শিবিরের সভাপতি মিনারুল ইসলাম, বাঘারপাড়া উপজেলা শিবিরের সভাপতি সাইয়েদুল ইসলাম প্রমুখ।