সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬, ০১:৪৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
দোকানদারের ভুল কিটনাশকে বাঘারপাড়ায় দুই লক্ষাধিক টাকার মাছ নিধন! আবারও চিত্রা মডেল কলেজের সভাপতি শামীম আকতার বাঘারপাড়ায় অস্ট্রেলিয়ায় চাকরির প্রলোভনে ১২ লাখ টাকা, মানব পাচার মামলায় কাইয়ুম আটক বাঘারপাড়া মহিলা কলেজের অ্যাডহক কমিটির সভাপতি নূরে আলম সোহাগকে সংবর্ধনা জুলাই আন্দোলন বিপ্লবীদের জন্য সহজ ছিল না ——–যশোর ৪ আসনের এমপি গোলাম রসুল বাঘারপাড়ায় গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে উপজেলা প্রশাসনের আলোচনা সভা জুলাই স্মরণে বাঘারপাড়া উপজেলা বিএনপির র‌্যালি ও আলোচনা সভা চিত্রা মডেল কলেজে জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া অনুষ্ঠিত জুলাইয়ের দ্বিতীয় বার্ষিকীতে বাঘারপাড়ায় ইসলামী ছাত্রশিবিরের ম্যারাথন দৌড় অনুষ্ঠিত বাঘারপাড়ায় মহিউদ্দিন বিশ্বাস ফাউন্ডেশন ফুটবল টুর্নামেন্টের শিরোপা জিতল বাকড়ী থ্রি স্টার ক্লাব

দোকানদারের ভুল কিটনাশকে বাঘারপাড়ায় দুই লক্ষাধিক টাকার মাছ নিধন!

  • প্রকাশিত: রবিবার, ১৬ আগস্ট, ২০২৬
  • ৩৫ বার পড়া হয়েছে

বাঘারপাড়া (যশোর) প্রতিনিধি: যশোরের বাঘারপাড়ায় কিটনাশক বিক্রেতার পরামর্শে পুকুরে আগাছানাশক প্রয়োগের পর প্রায় দুই লক্ষাধিক টাকার মাছ মারা যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। উপজেলার ভিট্যাবাল্লা গ্রামের মৎস্যচাষি রফিকুল ইসলামের দুই বিঘা পুকুরে এ ঘটনা ঘটে।

মৎস্যচাষি রফিকুল ইসলাম জানান, পুকুরের শ্যাওলা পরিষ্কার করার জন্য তিনি স্থানীয় কিটনাশক বিক্রেতা মেসার্স রানা এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী রানার কাছে যান। পুকুরের শ্যাওলা পরিষ্কারের জন্য কোনো কিটনাশক আছে কি না জানতে চাইলে তাকে ‘প্যাডি ২০ এসএল’ নামের একটি কিটনাশক দেওয়া হয়।

রফিকুল ইসলাম বলেন, বিক্রেতার দেওয়া ওই কিটনাশক পুকুরে প্রয়োগ করার পর রাত থেকেই একে একে মাছ মারা যেতে শুরু করে। পরদিন পুকুরের পানিতে বিভিন্ন প্রজাতির মৃত মাছ ভেসে উঠতে থাকে। তার পুকুরে মিশ্র ও কার্পজাতীয় বিভিন্ন প্রজাতির মাছ ছিল। এর মধ্যে কিছু মাছের ওজন পাঁচ কেজির বেশি এবং কিছু মাছের ওজন এক কেজির ওপরে বলে জানান তিনি।

তিনি আরও বলেন, ‘‘কিছুদিন পরই মাছগুলো বিক্রি করার কথা ছিল। মাছগুলোর আনুমানিক বাজারমূল্য দুই লাখ টাকার বেশি হতো। কিটনাশক বিক্রেতার ভুল পরামর্শে আমার এত বড় ক্ষতি হয়েছে। একজন সরকার অনুমোদিত কিটনাশক বিক্রেতা কীভাবে পুকুরে ব্যবহারের জন্য এমন ওষুধ দিতে পারেন, তা আমার বোধগম্য নয়। আমি এ ক্ষতিপূরণ দাবি করছি।’’

‘প্যাডি ২০ এসএল’ সম্পর্কে উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা ইয়ামিন ইসলামের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এ ধরনের ওষুধ সাধারণত ফসল লাগানোর আগে জমি পরিষ্কার করা এবং বিভিন্ন ফসলের সারিতে জন্মানো আগাছা দমনে ব্যবহার করা হয়। এটি পাতার সংস্পর্শে কাজ করে এবং প্রয়োগের পর সবুজ আগাছা দ্রুত নষ্ট করে ফেলে। পুকুরে মাছ থাকা অবস্থায় এ ধরনের আগাছানাশক কোনোভাবেই প্রয়োগ করা উচিত নয় বলেও জানান তিনি।

তিনি আরও বলেন, ‘‘একজন মৎস্যচাষির এভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার বিষয়টি কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। বিক্রেতা কী জ্ঞানে বা পরামর্শে ওই ওষুধ পুকুরে ব্যবহারের জন্য দিয়েছেন, তা জানা প্রয়োজন।’’

উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা রিপন কুমার ঘোষ বলেন, ‘‘আগাছা পরিষ্কারের ওষুধ কীভাবে পুকুরের শ্যাওলা পরিষ্কারের জন্য ব্যবহার করতে বলা হয়েছে, তা জানা নেই। পুকুরে কোনো ধরনের ওষুধ ব্যবহারের আগে মৎস্য বিভাগের সঙ্গে পরামর্শ করলে এ ধরনের ঘটনা ঘটত না।’’

অভিযোগের বিষয়ে কিটনাশক বিক্রেতা রানা’র সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি কোনো বক্তব্য দিতে রাজি হননি।মৎস্যচাষি রফিকুল ইসলাম ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে তার ক্ষতিপূরণের দাবি জানিয়েছেন।

 

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩১৪১৫১৬
১৭১৮১৯২০২১২২২৩
২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০
৩১  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত -২০২৬, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট